1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. armanchow2016@gmail.com : bbn news : bbn news
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:২০ অপরাহ্ন

চকরিয়া-পেকুয়ার চার লাখ মানুষ পানিবন্দি

সাংবাদিক :
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৭২ সংবাদ দেখেছেন

বিবিএন নিউজ: কয়েকদিনের টানা প্রবল বর্ষণ ও পার্বত্য অববাহিকার মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভয়াবহ বন্যায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া। এতে দুই উপজেলার অন্তত ২০টি ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভার লোকালয় বানের পানিতে ভাসছে। এই অবস্থায় অন্তত চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। টিউবওয়েল ও বসতবাড়ির রান্নার চুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট পড়েছে পরিবারগুলোতে। অনেক স্থানে বাড়ির চালা পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুঁটছে হাজারো মানুষ।

এদিকে মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা উজানের পানির প্রবল তোড়ে কয়েকটি স্থানে ভেঙে গেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধও। এতে চকরিয়ার উপকূলীয় মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে নতুন করে ঢুকে পড়ছে বানের পানি। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ভয়াবহ পাহাড় ধসের শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের মাঝে। জেলা প্রশাসন থেকে চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭২ টন জিআর চাল। সেই চাল সমবণ্টন করে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের বিপরীতে চার টন করে ডিও ছাড় করা হয়েছে। যাতে পানিবন্দি হয়ে পড়া লাখো পরিবারের মাঝে জিআর চাল বিতরণ শুরু করা যায়।

সরজমিন বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা সদরের সাথে ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সড়কগুলো কয়েকফুট পানিতে তলিয়ে রয়েছে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরী প্রয়োজনে মানুষ নৌকায় চেপে যাতায়াত করছে। মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা উজানের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ওপর টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় মানুষের মাঝে আতঙ্কও ছড়াচ্ছে। দুই উপজেলার ফসলী জমিও বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকস্থানে ভেসে গেছে পুকুরের মাছও।

বলেন, ‘প্রবল বর্ষণ ও মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে চকরিয়ার বিএমচর ইউনিয়নের কন্যারকুম এলাকায় পাউবোর প্রায় ৩০ ফুট এবং কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা পয়েন্টে এক চেইন মতো ভেঙে গেছে। পানি নেমে যাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে বেড়িবাঁধ পুনরায় সংস্কার করা হবে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ চকরিয়া নিউজকে বলেন, একদিকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকা এবং মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা উজানের পানিতে উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ আশ্রয়ে যাতে মানুষ চলে যায় সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার শতাধিক স্লুইস গেটের কপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। যাতে পানি ভাটির দিকে দ্রুত নেমে যেতে পারে।

ইউএনও জানান, প্রতিটিতে চার টন করে ১৮টি ইউনিয়নে ৭২টন এবং চকরিয়া পৌরসভার জন্য ১০ টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যাতে তিগ্রস্ত লোকজনের মাঝে বিতরণ করা যায়। এদিকে পেকুয়ার সাত ইউনিয়নের জন্য ২৮ টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে।

শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021,বিবিএন নিউজ
Developer By Zorex Zira